আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ টাকা বেশি

ভারতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশটি থেকে পেঁয়াজের আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। এদিকে পেঁয়াজ আমদানির খবরে বন্দর এলাকায় বেড়েছে পাইকারদের সমাগম। তবে দেশীয় পেঁয়াজের থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ টাকা বেশি চাওয়ার অভিযোগ পাইকারদের। অন্যদিকে দাম বেশি চাওয়ায় পেঁয়াজ না ক্রয় করে ফিরে যাচ্ছেন অনেকেই।

পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় কৃষকদের মাঝে চলছে নানা প্রতিক্রিয়া।

শনিবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে ভারত থেকে এক ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও দ্বিতীয় দিনে আমদানি হয়েছে দুই ট্রাক। আর এসব পেঁয়াজ কিনতে বন্দর এলাকায় বেড়েছে পাইকার-পত্র। তবে দেশি পেঁয়াজের থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম বেশি চাওয়ায় না কিনেই ফেরত যাচ্ছেন পাইকাররা। স্থানীয় বাজারে দেশীয় পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম চাওয়া হয় ৪৫ টাকা কেজি দরে।

পেঁয়াজ কিনতে আসা কয়েকজন পাইকার বলেন, দেশের বাজারে এখন পাবনাসহ নানা জায়গার পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি। দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজি আর আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম ৪৫ টাকা কেজি। কেজিতে ১৫ টাকা বেশি হওয়ায় আমরা পেঁয়াজ না কিনে ফিরে যাচ্ছি। কারণ বেশি দামে পেঁয়াজ কিনলে আমাদের লোকসান গুণতে হবে।

হিলি কাস্টমসের তথ্যমতে, শনিবার একটি ট্রাকে ২২ টন পেঁয়াজ আমদানি হলেও রোববার দুই ট্রাকে আমদানি হয়েছে ৫৪ মেট্রিক টন।

About admin

One comment

  1. Good way of explaining, and nice paragraph to take information concerning my presentation subject matter,
    which i am going to present in school.